বুধবার, ৬ মার্চ, ২০১৯

বাংলার প্রমিথিউস,


















এক,
বাংলার প্রমিথিউস স্বদেশের মাটিতে ফিরলেন বীরবেসে,
সর্ঘের কাছ থেকে একটুকরো অগ্নিস্ফুলিঙ্গ দ্বার করে
চির অন্ধকারে নিমজ্জিত তার প্রিয় স্বজাতির জন্যে 
আলোরবর্তিকা হয়ে আসলেন তিনি।
আমরা তার নাম দিয়েছি স্বাধিনতা।
আমাদের রক্তে কেনা সেই অলিক স্বাধিনতা
পুর্নতা পেল তার আগমনে।




সূভ নববর্ষ! সূভ নববর্ষ! তোমাকে জানাই সূস্বাগতম!
তোমার সাথে সাথে আজ থেকে শুরু হয়েছে, আমাদের
জাতির পিতার ও জন্ম শতবর্ষ---!
The Father of nations Birthday Century.
সূভ নববর্ষ কিংবা Happy new Yare,আমি তোমাকে
বলতে পারি নিদ্বিধায়, কিন্তু  সূভ জন্ম শতবর্ষ কিংবা Happy
Birthday Century বলতে পারছিনা জাতির পিতাকে, বিবেক আমায় 
বাধা দিচ্ছে।কেমন যেন একটা অপরাধ বোধ কাজ করছে আমার মাথায় মুন্ডে।
জীবিত থাকতে তিনি বলতেন--
আমার জন্ম দিবস-ই-কী?
আবার মৃর্ত্যু দিবস-ই-বা কী?
জীবিত থাকতে তার প্রিয় জাতিকে 
বলে দিয়ে গেছেন,তাবিত জীবনের পথেয় পাথেয় দিকনির্দেশনা।
কিন্তু!আমরা বামনের জাতি তাঁর একটি কথাও বুঝতে পারিনি,
তাঁর নকসাকদমে,
এক কদমও চলতে পারিনী।
 আমরা বামনের দল,নি:কৃষ্ট কদাকার বামনের দল!
পাকিরা তুচ্চতাচ্ছিল্য করে আমাদেরকে বলতো চুতিয়ার জাত!

 সত্যিই কি আমরা অবিবেচক অকৃজ্ঞ জাতি?

মরনে কি করে বুঝব তাঁর শব্দহীন বুকের ভাষা?
মরণে তো তিনি হয়ে গেছেন এক শ্বাসত স্বত্বা!
ঘাতকের বুলেটে যখন তাঁর কমল বুকটা ঝাঁঝড়া হয়ে গিয়েছিল,
এটমিক পাওয়ারসম গর্জনীন তার তর্জনী যখন খসে পড়ে গেল
স্বাধিনতার সিঁড়িতে।গুলির শব্দে যখন তার পোষা পাখি গুলি
চটপট করছিল বন্দি খাঁচায়। আকাশে বাতাসে তখন হয়তো চিতকার
দিচ্ছিল চিল শকুন ঈগলের দল,তার শরিরের তাজা রক্ত গড়িয়ে গড়িয়ে যখন
পড়ছিল বিশ্বাস ঘাতক মাটিতে,তিনি তখন পাইপ হাতে হয়তো বিড় বিড় করে বলছিলেন,না আমি সেদিন মিথ্যে বলেছিলাম, তোরা আজো মানুষ হতে পারিসনি।তোরা সত্যিই চুতিয়া, কদাকার বামন মিরজাফরের জাতি।

কে জানে তিনি কি বলেছেন?
হয়তো বিশ্বাসঘাতক জাতিকে ক্ষমাও করে দিয়েছেন।

জীবনে তো তিনি স্বদেশের মাটি থেকে পোঁছে গিয়েছেন
বিশ্বের কোনে কোনে,জগতের শোষিত মানুষের মনেপ্রাণে।
স্বমহিমায় তিনি নিজেই হয়ে উঠেছিলেন অখন্ড বিশ্ব,
মরনে তো তিনি পোঁছে গেলেন আসমান থেকে সাত আসমানে,
ঐ গ্যালাক্সির ছায়া পথ ধরে যেতে যেতে তিনি পোঁছেছেন 
আকাশ গঙ্গায়, পদ্মা মেঘনা যমুনায়, টেকনাপ থেকে তেতুলিয়ায় 
সাড়ে ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের সোনার বাংলায়,মিশে গেছেন
প্রতিটি জীবনির্জিবের অন্তরাত্মায়।




বুধবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৮

আবারো সেই আগুন সন্ত্রাস--!

             


                                                                                            
 আবারো সেই আগুন সন্ত্রাস-!
স্বদেশের সম্পদ ধ্বংশ করে
বেশ্যার নাযায়েছ সন্তানরা করছে উল্যাস!
সেই একি নিয়মে গুমন্ত যাত্রি সমেত আগুন!
সেই একি কায়দায় রেল লাইন উপরে ফেলা!
সেই একি নিয়মে বৃক্ষ নিদন, ভাষাহীন
পশুপক্ষি হন্থাকারী বর্বর জালিমের দল,
লাশের গন্ধ্যে ভারী হয় আকাশ বাতাস,
 রেন্ডির পোলাদের  উদ্যত উচ্ছাস!
 
   
 
 
 

 
 
 





এবার প্রতিক্ষার পালা


এবার প্রতিক্ষার পালা--
সামনে নির্বাচন,ভোটের লড়াই,
কে জিতবে কে হারবে, জাতি আজ ভীষণ উতকন্ঠায়।
কেউ বলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই,
কেউ বলছে মুখোমুখি লড়াই হবে এবার।
অনেকটা যেন বুনো ষাঁড়ের লড়াইর আয়োজন।
জাতি এবার নতুন করে দেখছে আবার দড়িবাজ কাওয়ার্ডদের।
জাতি এবার নতুন করে দেখবে আবার মীর
জাফর উর্মিচাঁদ জগত শেঠদের।
এত উদ্যেগ উতকন্ঠার মাঝেও জাতি আজ উতসব মুখোর।
জাতি এবার দেখবে চা-এর কাপে ঝড় উঠবে,
চমুচা সিঙ্গাড়া, কিংবা গরম গরম ডালের ভরা,
নেতার পয়সায় মোকত মোকত ভক্ষন করবে কাঙ্গাল ভোটারেরা,
আহা! সে কি আনন্দ।
জাতি এবার দেখবে বাসে ট্রেনে লঞ্চস্টিমারে তর্ক উঠবে।
মারামারি খুনাখুনি হবে, মরবে দু-চার জন কিংবা অসংখ্যজন।
তবুও কারো মধ্যে নেই কোন সংশয়।
হতাশ নয় জাতি, হতাশ হতে জানেনা তারা।
পাঁচাত্তরের পরে স্বপ্ন ভঙ্গের দু:সময়েও থমকে যাওয়া
এই জাতি হতাশ হয়নি। দুই স্বৈরচারের দু:শ্বসনেও
এ জাতি হতাশ হয়নি।বিধব্য গৃহকতৃ গন্ডমুর্খ খালেদার
দু:শ্বাসনেও এ জাতি হতাশ হয়নি। জঙ্গিবাজের
উত্থানেও এ জাতি হতাশ হয়নি।অবিরাম স্বপ্ন দেখেছে
জাতির জনকের কন্যাকে গিরে।তারুন্য আজো স্বপ্ন দেখে
বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনাকে গিরেিআমরা স্বত:স্পুর্ত ভাবে
বলতে পারি এ লড়াই স্বপ্ন জয়ের লড়াই।
এ লড়াই ইহুদী নাসরা কাপেরের বিরুদ্ধে সত মানুষের লড়াই।
এ লড়াই মিথ্যার বিরুদ্ধে সত্যের লড়াই।
জয় জয় নিশ্চয় নৌকায় ভোট চাই।

বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৮

বিপ্লবিরা আজ গলায় রশি দিয়ে মরো--

কচু গাছের সাথে নতুবা পানিতে ডুবে মরো---

 

জন্মেই আমি দেখেছি, স্বদেশে আমার উত্তাল,
স্বাধিনতার প্রশ্নে সবাইর অনড় অবস্হান।
ছয়দপা দিয়েতো বঙ্গবন্ধু ঘোষনা করে দিলেন
স্বাধীনতার ডাকনাম স্বায়ত্ব শাসন।
সেই ষাটের দশকে জন্ম আমার।
উনসত্তরের গনউর্ভ্যত্থান আমি স্বচোক্ষে দেখেছি,
সত্তরের জাতীয় নির্বাচনের উত্তাপ আমি দেখেছি।
একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের আমি প্রত্যক্ষ সাক্ষী।
জন্মের পরই আমি দেখেছি প্রিয় স্বদেশ আমার স্বাধীন।
বিশ্বে যে জাতি দেখেছে স্বাধীনতার মুখ,
তাদের ঘরেই ধরা দিয়েছে পৃথিবীর সকল সুখ।
কিন্তু আমরা এমন হতভাগা জাতি,আমাদের ঘরে
ধরা দিয়েছে শুধু দুঃখ আর দুঃখ।
 সেই ষাটের দশকে জন্ম আমার।
দেশে দেশে মহাদেশে সর্বত্র শুনা যেত বিপ্লবের রণধ্বনি।
আমাদের এই সদ্য স্বাধীন দেশটাও তখন বাদ থাকেনি।
বিপ্লবিরা এক কথায় এক কাট্টা,চাই সমাজতন্ত্র।
বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র! 
যুগের পর যুগ প্রায় ছয়দশক ধরে উত্তর করিয়া কিউবা
ঐ হাঁতুরি কাস্তে খচিত রক্তিম ঝান্ডা আজো তুলে ধরে আছে উর্ধগগনে।
সমাজতন্ত্রের প্রশ্নে পশ্চিমা বিশ্বকে তথা বুর্জ্যোয়া বিশ্বকে এক চুলও
চাড়তে নারাজ।বরঞ্চ তাদের সামনে এক রুদ্রমুর্তি, এক আতঙ্কের প্রতিক।
যশ,ধন, কিচ্ছুই আর চাই না--
এবার চাই শুধু চোর হতে,বড় চোর--!
চোর হয়ে চুরি করতে চাই বিপ্লব--!
সামাজিক বিপ্লব!যদি হয় সম্ভোব-!
--চলবে---


মঙ্গলবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৮

আজ হলো কান্নার দিন--


 

আজ হলো কান্নার দিন,

 

আজ হলো ১৫ই আগষ্ট-----!জাতির জনকের মহা প্রয়ানের দিন..!হতভাগা এই জাতিকে কাঁদতে হবে অনন্ত:কালবধি।শোকে মূহ:মান ব্যদনাং বিদগ্ধ এই জাতি আলতামার্কা কলঙ্ক তিলক কপোলে এঁকেই কাঁদবে! কাঁদতে হবে মহাপ্রলয়ের পূর্ব মূহুর্ত্য পর্যন্ত।
কাঁদতে না চাহিলেও কাঁদতে হবে এ হতবিহব্বল জাতিকে।ভিতর থেকে অনায়াসে এসে যাবে  মর্মভেদী কান্না।ভূলে যেতে চাহিলেও কোনদিন ভূলিতে পারিবেনা এই নির্বোধ জাতি।ভিতর থেকে উথলি উঠবে জাতির জনকের অমসৃন সর্ঘিয় অবয়ব।এই স্বাশত সত্য।
অবশ্য সীমার আবুজাহেল কিংবা মীর জাফরদের ব্যপারটা আলাদা।
কুকুরের ঘরে জন্ম নেয় ১০০% কুকুরের বাচ্চা!
শুকুরের ঘরে জন্ম নেয় ১০০% শুকরের বাচ্ছা!
 কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, দুর্ভাগা বসত: এই বাঙ্গালীর ঘরে জন্ম নিয়েছে কিছু কুলাঙ্গার কুকুর শুকরের বাচ্ছা! 
যারা এখনও পাকিস্তানিদের পাঁ চাটে,
যারা এখনও রাজাকারের জন্য দু:খবোধ করে,
যারা এখনও জাতির জনকের শোক দিবসে কেক কেটে উতসব করে।
যারা এখনও বাংলাদেশকে বাংলাস্হান বানাতে উদ্যত!
যারতদের ব্যপারটাই আলাদা!
শুকর কুকুরের  বিবেক থাকার কথা নয়।
 
বাঙ্গালী জাতির জন্য ১৫ই আগষ্ট হলো একটি কারবালা!
আর আগষ্ট মাসটি হলো একটি মহরম!
আজ হলো আমাদের কান্নার দিন।
আজ হলো আমাদের মাতমের দিন।
আজ আমাদের ঘরে ঘরে উঠেছে কান্নার তুফান।
এই কান্না আর কোন দিন থামবে না।
আমাদের জীবন থেকে এই কৃষ্ণ কলঙ্কও
কোনদিন আর মুছে যাবে না। 
নিরন্তর অনন্ত কান্নায় আমরা সামিল হবো,
 যুগ যুগ ধরে আমরা সবাই কাঁদবো।
প্রবিত্রতম বড় বড় দিনগুলির মতই বছর বছর গুরে বার বার ফিরে আসবে এই কান্নার দিন। আমরা কাঁদবো! সমবেত কন্ঠে আমরা কাঁদবো, ব্যদনাং হবো নীল!
প্রবিত্র কোরআনের এক একটি আয়াতের মত লাহমাফুজে অতসী অক্ষরে লিখা রবে জাতির জনকের এক একটি বাণী!তৈরত যুবর ত্রিপটক রামায়ন গীতা বাইবেলের এক একটি বাণীর মতই প্রসীদ্ধ হবে জাতির জনকের এক একটি বাণী।ভুলিতে চাহিলেও ভূলিতে পারিবেনা এই জাতি!
মনো:স্তাত্তিক ভাবেই জাতির বিবেকে গেঁথে গেছে জাতির জনকের প্রতিটি শব্দ!
জাতীয় এই শোক দিবসে আমরা গভির ভাবে শোকাহত।
বিনম্রচিত্তে শ্রদ্ধা জানাই জাতির পিতার বিদেহী আত্মার প্রতি।
ঘৃনা জানাই কুখ্যাত খুনিদের।নফরত করি সেই কুকুর শুকরের বাচ্ছাদের।
*****
জাতির পিতা আমাদেরকে দিয়ে গেছেন একটি স্বাধীন  দেশ।
আমরা পেয়েছি মুক্তির অমীয় স্বাধ!
মাননীয় প্রধান মন্ত্রি জননেত্রি  শেখ হাসিনা,এখন আপনার
কাছে আমাদের প্রত্যাশা---আমরা চাই একটি রাষ্ট্র--।
আমরা চাই সুসংগঠিত একটি রাষ্ট্র------!
আমরা চাই শক্তিশালী একটি রাষ্ট্র...!
আমরা চাই সূশৃঙ্খলিত একটি রাষ্ট্র-----!
আমরা চাই শূশাসন ব্যবস্হার একটি রাষ্ট্র------!
আমরা চাই দুর্নীতি মুক্ত একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্র------!
সর্বোপরি আমরা চাই সম্বৃদ্ধ স্বাবলম্বি স্বনির্ভর
 একটি আদর্শিক রাষ্ট্র--!
*****
মাননীয় প্রধানমন্ত্রি, আপনি জানেন,জাতির পিতা
পাকিস্তানের কারাগার থেকে স্বদেশের মাটিতে ফিরে এসে,
ভয়াবহ ধ্বংশস্তুপের উপর দাঁড়িয়ে প্রথমে দেশ গড়ার কাজে
হাত দিলেন।সাথে সাথে একটি আধুনিক রাষ্ট্রের গোড় পত্তনের
কাজও শুরু করে দিলেন।তিনি খুবি অল্প সময়ের মধ্যে 
সুনিপুন কারিগরের মত জাতিকে উপহার দিলেন সংবিধান।প্রনয়ন
করলেন একটি আধুনিক রাষ্ট্রের চার মুলনীতি,
কিংবা স্তম্ভ। সমাজতন্ত্র, গনতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা
এবং জাতীয়তাবাদ। প্রতিষ্টা করলেন একটি রাষ্ট্রের মৌলিক অবকাঠামো।
সংগটন সংস্হা,স্কুল কলেজ মাদরাসা মসজিদ মোট কথা যা যা দরকার
সব কিছুই তিনি যখন প্রতিষ্টা করে এবং উদ্যেগ নিয়ে বাংলাদেশকে
সোনার বাংলায় রুপান্তরিত করতে যাচ্ছিলেন। ঠিক তখনই
কুখ্যাত জল্লাদ বাহিনী জাতির জনককে নিঃশংস ভাবে হত্যা করলো।
পরাজিত পাকিস্তান এর আইএসআই এবং সামরাজ্যবাদী
মার্কিনীদের সহযোগিতায় পরাজিত সত্রুরা খুব সহজেই খুনের মিশনে
 হত্যালীলা সফল হয়ে গেল।
খুনিরা জাতির জনককে নির্মম ভাবে হত্যা করে আনন্দ উল্যাসে
মেতে উঠলো।চাঁদতারা পতাকা তুলে পাকিস্তান জিন্দাবাদ নাড়া ও
দিতে লাগলো।তারা সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের প্রগতির চাকা উল্টোদিকে
গুরিয়ে দিল।সংবিধানের পাতা থেকে তুলে দিল রাষ্ট্রের চার মুলনীতি।
ভেঙে দিল সদ্য রাষ্ট্রের মৌলিক অবকাঠামো গুলো। আর রাষ্ট্রকে
তারা নিয়ে গেল পাকিস্তানি ভাবধারায়।
সেই থেকে রাষ্ট্র আর সিদা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।
মাননীয় প্রধান মন্ত্রি আজ রাষ্ট্রের প্রতিটি সংস্হা এবং
সংঘটন দুর্নীতির আকড়াতে পরিণত হয়েছে।
নিচ তলা থেকে উপরের তলার অর্থ্যাৎ পিয়ন থেকে
অফিসার ম্যানেজার সবাই আজ অবাধে লুটেপুটে খাচ্ছে
রাষ্ট্রিয় সম্পদ।কেউ কেউ আঙ্গুল পুলে কলা গাছ নয় রিতিমত
তালগাছ হচ্ছে, আবার কেউ কুঠি কুঠি টাকা বিদেশে পাচার করছে।
সোনা চুরি কয়লা চুরি পাথর চুরি গ্যাস চুরি বিদ্যুৎ চুরি করে
হারামির বাচ্ছারা অঢেল ধন সম্পত্তির মালিক হয়েছে,
নামে বেনামে উঁচু উঁচু দালান কোঠা সপিং মলের মালিক হয়েছে।
এখনই যথার্থ সময়, প্রিয় নেত্রি আপনি যেভাবে জঙ্গিবাজ ও ড্রাগের
 বিরুদ্ধে জিরু টলারেন্স ঘোষনা করেছেন, ঠিক তেমনি ভাবে
দুর্নীতির বিরুদ্ধেও জিরু টলারেন্স ঘোষানা করুন।
কেবল দুর্নীতিমুক্ত একটি দেশই হতে পারে একটি আধুনিকও আদর্শিক রাষ্ট্র।
মনে রাখবেন সোনার বাংলা গড়ার পাশাপাশি জাতির জনক স্বপ্ন দেখেছেন 
একটি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশও।
                                           ------ফারুক জার্মানী,