যে নেতার জন্ম না হলে--১
মানব জাতির মঙ্গলের জন্য যুগে যুগে এই পৃথিবতে জন্ম নিয়েছিলেন অসংখ্য মহামানব।তাদের দুরদর্শি চিন্তাশক্তি ও মেধা প্রজ্ঞা দিয়ে বিনির্মিত হয়েছে আমাদের আজকের এই আধুনিক বিশ্ব।বন্য থেকে মানুষকে আজকের এই আধুনিক মানুষে রুপান্তরিত করতেই সেই মহামানবদের জন্মের প্রয়োজন ছিল। পৃথিবীর দেশে দেশে তারা জীবনকে ভাজি ধরে সংগ্রাম আন্দলন এমন কি স্বসস্ত্র যুদ্ধ করে মানব জাতির উন্নতি উদ্ভাবন ,জ্ঞ্যন-বিজ্ঞ্যান এবং ধ্যন-দর্শণ সর্বোজনন সম্বৃদ্ধি শিক্ষা শান্তি ও মুক্তি এনে দিয়ে মানুষকে দিয়েছিলেন বাঁচার স্বাধ ও অধিকার।
সেই মহা মানবদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমান। তিনিও জীবনকে ভাজি ধরে সারা জীবন আন্দলন সংগ্রাম করে, জেল জুলুম সহ্য করে বার বার মৃর্ত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমাদেরকে দিয়ে গেছেন আধুনিক সার্বভোম স্বাধীন বাংলাদেশ।
তিনিই এই বাংলাদেশের রুপকার, তিনিই এই বাংলাদেশের স্তপতি।তাঁর হাতেই সুনির্মিত হয়েছে এদেশের পাউন্ডেশান ও মুলস্তম্ভ, তাঁর হাতেই সুচনা হয়েছে এ

দেশের প্রতিটি মৌলিক অবকাঠামো।তিনিই রাওয়াল পিন্ডির কুখ্যাত কারগার থেকে বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে স্বদেশের মাটিতে পিরে এসে স্বল্প সময়ের মধ্যে সে বাহাত্তর সালেই ৩৪জন বুদ্ধিজিবীকে নিয়ে প্রণয়ন করেছেন আমাদের প্রবিত্র সংবিধান। ৭২ এর সংবিধান।গনতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, ও ধর্মনিরপেক্ষতা,এই চার মুল নীতির ভিত্তিতেই রচিত হয়েছে আমাদের সেই যুগান্তরি সংবিধান।যা সমগ্র বিশ্বের মধ্যে অন্যতম।এই সংবিধানের মুলনীতিই আজ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুলনীতি।
তাঁর দুরদর্শি চিন্তা চেতনা জ্ঞ্যন প্রজ্ঞা - চাল চলন বলন কহন চির অমলিন হয়ে দিন দিন নতুন থেকে নতুনত্ব, ও আধুনিক থেকে আধুনিকত্ব হয়ে বাঙ্গালী জাতির জীবন ধারা আজ প্রবাহিত হতে যাচ্ছে।এখানেই আমাদের গর্ব। তিনিই বাঙ্গালী জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা ও হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালী।এটা আজ বিশ্বে স্বীকৃত।তাঁর পুর্বে বাঙ্গালী জাতির ইতিহাসে তাঁর মত এমন কোন মহামানব জন্ম নেননি,এবং ভবিষ্যতে জন্ম নিবেন না। তিনিই জাতির পিতা,তিনিই এই জাতির সর্বশ্ব এবং অধিশ্বর, তিনিই বাঙ্গালী জাতির স্বত্তা ও এক অপুর্ব অনুপম সভ্যতা।তিনিই বাঙ্গালী জাতির শেষ ভরশার কেন্দ্রস্তল।তাঁকে বাদ দিয়ে বাঙ্গালী জাতিও বাংলাদেশ কোনদিন বিকশিত ও সামগ্রিক উন্নতি লাভ করতে পারবে না।

![]() |
| ১৯৭েইং সালের ১০ই জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যার্বতন-বঙ্গবন্ধু |
দেশের প্রতিটি মৌলিক অবকাঠামো।তিনিই রাওয়াল পিন্ডির কুখ্যাত কারগার থেকে বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে স্বদেশের মাটিতে পিরে এসে স্বল্প সময়ের মধ্যে সে বাহাত্তর সালেই ৩৪জন বুদ্ধিজিবীকে নিয়ে প্রণয়ন করেছেন আমাদের প্রবিত্র সংবিধান। ৭২ এর সংবিধান।গনতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, ও ধর্মনিরপেক্ষতা,এই চার মুল নীতির ভিত্তিতেই রচিত হয়েছে আমাদের সেই যুগান্তরি সংবিধান।যা সমগ্র বিশ্বের মধ্যে অন্যতম।এই সংবিধানের মুলনীতিই আজ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুলনীতি। তাঁর দুরদর্শি চিন্তা চেতনা জ্ঞ্যন প্রজ্ঞা - চাল চলন বলন কহন চির অমলিন হয়ে দিন দিন নতুন থেকে নতুনত্ব, ও আধুনিক থেকে আধুনিকত্ব হয়ে বাঙ্গালী জাতির জীবন ধারা আজ প্রবাহিত হতে যাচ্ছে।এখানেই আমাদের গর্ব। তিনিই বাঙ্গালী জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা ও হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালী।এটা আজ বিশ্বে স্বীকৃত।তাঁর পুর্বে বাঙ্গালী জাতির ইতিহাসে তাঁর মত এমন কোন মহামানব জন্ম নেননি,এবং ভবিষ্যতে জন্ম নিবেন না। তিনিই জাতির পিতা,তিনিই এই জাতির সর্বশ্ব এবং অধিশ্বর, তিনিই বাঙ্গালী জাতির স্বত্তা ও এক অপুর্ব অনুপম সভ্যতা।তিনিই বাঙ্গালী জাতির শেষ ভরশার কেন্দ্রস্তল।তাঁকে বাদ দিয়ে বাঙ্গালী জাতিও বাংলাদেশ কোনদিন বিকশিত ও সামগ্রিক উন্নতি লাভ করতে পারবে না।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু বাঙ্গালী জাতিকে অকল্পনীয় স্বপ্ন দেখিয়েছেন, অন্যদিকে শাহস ও অসিম শক্তি যোগায়ে মাথা তুলে দাঁড়াবার মন্ত্র শিখায়েছেন।তাঁর তর্জনীর গর্জন ছিল এটম বোমের মত ভয়ঙ্কর।রক্ত উৎরায়ে উঠেছিল লাখো কোড় তরুনের মাথায়।হয় জান নয়তো মায়ের মান, এই দীপ্ত সফতে অনড় ছিল বাঙ্গালী জাতি। জয় আমাদের হবে হবেই,সবাই নিশ্চিত।অবশেষে হয়েছে ও তাই। মাত্র নয় মাসের ব্যবধানে জীবন মরন যুদ্ধে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু রণধ্বনিতে বাঙ্গালী জাতি চিনিয়ে এনেছিল অনাকাঙ্খিত অলিক স্বাধিনতা।৩০ লক্ষ শহীদের তাজা প্রাণ আর ২লক্ষাধিক মা বোনের সম্ভ্রমের অপুরন্ত ক্ষতির বিনিময়ে আমরা স্বাধিনতা এনেছি।পাকিস্তানি বর্বর কুৎসিত হায়েনা আর এদেশের কিছু হিংস্র
জানোয়ার মিলে প্রিয় জন্মভুমিকে জ্বালিয়ে পুড়ে ছারখার করে দিয়েছিল।স্বদেশের মাটিতে ফিরে এসে এত হত্যাযজ্ঞ এত ধ্বংশযজ্ঞের উপর দাঁড়িয়ে জাতির জনক আনন্দ অশ্রুতে আপ্লুত হয়ে দেশ গড়ার উদাত্ত আহব্বান করে ডাক দিয়েছেন।এসো সবাই মিলে মিশে দেশ গড়ি।বাংলাদেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলি। তাঁর ডাকে সাড়া দেয়নি কিছু কায়েমি স্বার্থবাজ লোক, কিছু পরাজিত সত্রু, কিছু ঘাঁপটি মেরে থাকা ও কিছু উশৃঙ্খল ছাত্র নেতা। বলা বাহুল্য বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া ছাত্রলীগের ঐ সব কুলাঙ্গার ছাত্র নেতারা বঙ্গবন্ধুর দেশ গড়ার ডাকে সাড়া না দিয়ে, কোন প্রকার সাহায্য সহযোগিতা না করে, মাত্র অল্প কিছু দিনের ব্যবধানে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের কথা বলে জাসদ নামে আলাদা একটি দল গঠন করে। তারপর তারা শুরু করে দেয় দেশের মধ্যে ভয়াবহ অরাজকতা,ও বিশৃঙ্খল।মিথ্যে আশ্বাস দিয়ে তারা তরুনদেরকে বিব্রান্ত করে দলে ভিড়িয়ে শুরু করে দেয় সন্ত্রাসি নৈরাজ্যবাদী কর্মকান্ড। থানা থেকে হাতিয়ার লুট, ব্যংক থেকে টাকা লুট, মিল কারখানা, পাঠের গুদামে আগুন, মানুষ হত্যা , এমপি হত্যাসহ এমন কোন হীন কাজ নেই যে তারা করেনি।তারা বঙ্গবন্ধু ও জাতিকে অতিষ্ট করে তোলে।
যার ধরুন তাদেরই সহযোগিতায় সামরিক বাহিনীর কিছু জানোয়ার ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট স্বপরিবারে জাতির এই শ্রেষ্ট সন্তান জাতির জনককে নিঃশংসভাবে হত্যা করে কলঙ্কিত করে তোলে বাঙ্গালী জাতিকে।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন